Bengali

জ্ঞানচক্ষু -আশাপূর্ণা দেবী SAQ | Class 10 Bangla

এখানে আশাপূর্ণা দেবীর “জ্ঞানচক্ষু” গল্পটি থেকে ৫০ টি অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হল। মূল গল্পটি পড়ার সাথে সাথে এই প্রশ্নোত্তরগুলিও মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিশেষ কাজে লাগবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

১. ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পটি কার লেখা? এর উৎস কী?
উত্তরঃ আশাপূর্ণা দেবী। গল্পটির উৎস হল তাঁর ‘কুমকুম’ নামক ছোটোদের গল্পসংকলন।

২. তপনের গল্প পড়ে ছোটোমাসি কী বলেছিলেন?
উত্তরঃ তপনের গল্প পড়ে ছোটোমাসি প্রশংসা করেছিলেন, কিন্তু সন্দেহ বশত জিজ্ঞেস করেছিলেন যে সে গল্পটা কারো থেকে নকল করেনি তো।

৩. “কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।” কোন কথা শুনে?
উত্তরঃ তার নতুন মেসোমশাই একজন লেখক— এই কথা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গিয়েছিল।

৪. ‘তিনি নাকি বই লেখেন’— কার কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ তপনের নতুন মেসোমশাইয়ের কথা বলা হয়েছে।

৫. ‘সত্যিকার লেখক’— এই উক্তির মাধ্যমে তপনের মনের কোন ভাব প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তরঃ লেখকরা যে সাধারণ মানুষের মতোই হতে পারেন, এই বিস্ময় ও নতুন জ্ঞান প্রকাশ পেয়েছে।

৬. ‘এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের’— কোন বিষয়ে সন্দেহ ছিল?
উত্তরঃ লেখকদের যে বাস্তব জীবনে দেখা যায়, তাঁরাও সাধারণ মানুষ— এই বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল।

৭. তপনের বাবা-কাকা-মামাদের সঙ্গে লেখক মেসোমশাইয়ের কী কী মিল আছে?
উত্তরঃ তাঁরাও দাড়ি কামান, সিগারেট খান, খেতে বসে খাবার তুলে দেন, সময়মতো স্নান করেন, ঘুমোন, খবরের কাগজ পড়েন এবং সিনেমা দেখেন।

৮. তপনের নতুন মেসোমশাই শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন কেন?
উত্তরঃ তাঁর কলেজে গরমের ছুটি থাকায় তিনি কয়েকদিনের জন্য শ্বশুরবাড়িতে এসে রয়েছেন।

৯. ‘আর সেই সুযোগেই দেখতে পাচ্ছে তপন’— কোন সুযোগে তপন কী দেখতে পাচ্ছে?
উত্তরঃ লেখক মেসোমশাইকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়ে তপন বুঝতে পারে লেখকরা কোনো আকাশ থেকে পড়া জীব নয়, তাদেরই মতো সাধারণ মানুষ।

১০. ‘তপনদের মতোই মানুষ’— এ কথা বলার কারণ কী?
উত্তরঃ কারণ নতুন মেসোকে দেখে তপন বুঝতে পেরেছিল যে লেখকরা সাধারণ মানুষের মতোই দৈনন্দিন কাজকর্ম করেন।

১১. তপনের মনে লেখক হওয়ার বাসনা জাগল কেন?
উত্তরঃ লেখকরা যে সাধারণ মানুষ, এই বোধ ও নতুন মেসো দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তার লেখক হওয়ার বাসনা জাগে।

১২. ‘ছোটোমাসি সেই দিকে ধাবিত হয়’— কোন দিকে ধাবিত হয়েছিলেন?
উত্তরঃ তপনের লেখা গল্পটি মেসোমশাইয়ের কাছে মূল্যায়ন করানোর জন্য, যেখানে মেসোমশাই ঘুমোচ্ছিলেন সেই দিকে।

১৩. ‘রত্নের মূল্য জহুরির কাছেই’— কথাটির অর্থ কী?
উত্তরঃ কেবলমাত্র গুণী ব্যক্তিই (লেখক মেসো) অপরের গুণ (তপনের লেখা) মূল্য বুঝতে পারেন।

১৪. তপনের গল্প পড়ে তার নতুন মেসোমশাই কী বলেন?
উত্তরঃ তিনি বলেন যে গল্পটা ভালোই হয়েছে, একটু ‘কারেকশন’ করে দিলে ছাপানো যেতে পারে।

১৫. ‘তখন আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়’— কে, কেন?
উত্তরঃ তপন। ছোটোমেসো তার গল্প ছাপানোর কথা বললে, প্রথমে ঠাট্টা ভেবে পরে সত্যি বুঝতে পেরে আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়।

১৬. ‘মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে সেটা’— উক্তিটি কার? কোন কাজের কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ উক্তিটি ছোটোমাসির। তপনের গল্পটি কারেকশন করে ছাপানোর ব্যবস্থা করাকেই মেসোর উপযুক্ত কাজ বলা হয়েছে।

১৭. ‘না করতে পারবে না’— কে, কাকে, কী বিষয়ে না করতে পারবে না?
উত্তরঃ তপনের মেসোমশাই মনে করেন, ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার সম্পাদক তাঁর অনুরোধে তপনের গল্পটি ছাপাতে অস্বীকার করতে পারবেন না।

১৮. তপনের বয়সি আর পাঁচটা ছেলেমেয়ের লেখার সঙ্গে তপনের লেখার তফাত কী?
উত্তরঃ অন্য ছেলেমেয়েরা রাজারানি, খুন-জখম, অ্যাকসিডেন্ট ইত্যাদি নিয়ে লেখে, কিন্তু তপন তার স্কুলে ভর্তির প্রথম দিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে গল্প লিখেছিল।

১৯. ‘এটা খুব ভালো, ওর হবে’— কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছেন?
উত্তরঃ তপনের মেসোমশাই। তপনের লেখা গল্পটি পড়ে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

২০. ‘নতুন মেসোকে দেখে জানলে সেটা’— তপন কী জেনেছিল?
উত্তরঃ সাধারণ মানুষও গল্প লিখতে পারে, এই সত্যিটি তপন জেনেছিল।

২১. ‘মাথার চুল খাড়া হয়ে উঠল’— এর কারণ কী?
উত্তরঃ নিজের লেখা প্রথম গল্পটি পড়ে রোমাঞ্চিত হয়ে তার মাথার চুল খাড়া হয়ে উঠেছিল।

২২. ‘ভালো হবে না বলছি’— কে, কাকে, কেন এই কথা বলেছে?
উত্তরঃ তপন। ছোটোমাসিকে বলেছে যখন মাসি তার লেখা গল্পটি নকল কিনা জিজ্ঞাসা করেছিলেন।

২৩. ‘কিন্তু গেলেন তো—গেলেনই যে!’— কার প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ তপনের মেসোমশাইয়ের প্রসঙ্গে, যিনি গল্পটি কারেকশন করে ছাপানোর জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন কিন্তু দীর্ঘদিন কোনো খবর দেননি।

২৪. ‘যেন নেশায় পেয়েছে’— কোন নেশার কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ গল্প লেখার নেশার কথা বলা হয়েছে।

২৫. ‘বুকের রক্ত ছলকে ওঠে তপনের’— কারণ কী?
উত্তরঃ দীর্ঘদিন পর হঠাৎ ছোটোমাসি ও মেসো ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকা হাতে এলে, তাতে নিজের গল্প ছাপা দেখে উত্তেজনায় তার বুকের রক্ত ছলকে ওঠে।

২৬. ‘পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে?’— কোন ঘটনাকে অলৌকিক বলা হয়েছে?
উত্তরঃ তার লেখা গল্পটি মুদ্রিত হয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়া এবং সেটি হাজার হাজার পাঠকের হাতে পৌঁছানোর ঘটনাটিকে।

২৭. ‘তা ঘটেছে, সত্যিই ঘটেছে’— কোন ঘটনার কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ তপনের লেখা গল্প ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় সত্যিই ছাপা হওয়ার ঘটনা।

২৮. ‘বাবা, তোর পেটে পেটে এত!’— কে, কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
উত্তরঃ তপনের মা। পত্রিকায় তপনের গল্প ছাপা হওয়ার পর তার সুপ্ত প্রতিভার প্রশংসা করে এ কথা বলেছিলেন।

২৯. ‘এর মধ্যে তপন কোথা?’— উক্তিটির তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ মেসোমশাইয়ের কারেকশনের পর প্রকাশিত গল্পটির ভাষা ও ভাব এতটাই পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিল যে, তপন সেখানে নিজের আসল লেখা খুঁজে পাচ্ছিল না।

৩০. ‘ক্রমশ ও কথাটাও ছড়িয়ে পড়ে’— কোন কথা ছড়িয়ে পড়ে?
উত্তরঃ তপনের গল্পটি তার মেসোমশাই কারেকশন করে ছাপিয়েছেন, এই কথা ছড়িয়ে পড়ে।

৩১. তপনের লেখা সম্পর্কে তার বাবার বক্তব্য কী?
উত্তরঃ তার বাবা মনে করেন, মেসোমশাই কারেকশন করে দিয়েছিলেন বলেই গল্পটি ছাপানো সম্ভব হয়েছে।

৩২. তপনের লেখা পত্রিকায় ছেপে বেরোতে দেখে তার মেজোকাকু কী বলেন?
উত্তরঃ তিনি ব্যঙ্গ করে বলেন, তাদেরও যদি ওরকম লেখক মেসোমশাই থাকতো, তাহলে তারাও গল্প লিখতে চেষ্টা করতেন।

৩৩. ‘গল্পটা ছাপা হলে যে ভয়ংকর আহ্লাদটা হবার কথা, সে আহ্লাদ খুঁজে পায় না’— কেন?
উত্তরঃ কারণ গল্প ছাপানোর পুরো কৃতিত্বটা যেন মেসোমশাইকে দেওয়া হচ্ছিল, তপন নিজেকে গৌণ মনে করছিল।

৩৪. ‘বোবার মতো বসে থাকে’— কে, কেন?
উত্তরঃ তপন। নিজের পরিবর্তিত গল্পটি পড়ে স্তম্ভিত ও হতাশ হয়ে বোবার মতো বসে থাকে।

৩৫. ‘তপন বইটা ফেলে রেখে চলে যায়’— এর কারণ কী?
উত্তরঃ কারেকশনের নামে তার লেখাটি সম্পূর্ণ পাল্টে যাওয়ায় সে অভিমান ও দুঃখে বইটা ফেলে রেখে চলে যায়।

৩৬. বইটা ফেলে রেখে তপন কী করে?
উত্তরঃ সে ছাতে উঠে গিয়ে শার্টের তলা দিয়ে চোখের জল মোছে।

৩৭. ‘তপন আর পড়তে পারে না’— কেন?
উত্তরঃ কারণ ছাপা গল্পটি তার নিজের লেখা বলে আর মনে হচ্ছিল না, সেটা সম্পূর্ণ অন্যজনের লেখা লাগছিল।

৩৮. ‘তপনের মনে হয় আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন!’— কেন?
উত্তরঃ কারণ তার প্রথম ছাপা গল্পটিতে তার নিজস্বতা সম্পূর্ণ লোপ পেয়েছিল।

৩৯. ‘এই দুঃখের মুহূর্তে গভীরভাবে সংকল্প করে তপন’— সংকল্পটি কী?
উত্তরঃ ভবিষ্যতে যদি কখনো লেখা ছাপাতে দেয়, তবে সে নিজেই সেটা পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে আসবে।

৪০. ‘তপনকে যেন আর কখনো না শুনতে হয়…’— কী শোনার কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ “অমুক তপনের লেখা ছাপিয়ে দিয়েছে”— এমন কথা শোনার।

৪১. ‘তার চেয়ে দুঃখের কিছু নেই’— কীসের কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ নিজের নামে ছাপা গল্প পড়তে বসে সেখানে অন্যের লেখা লাইন পড়ার চেয়ে দুঃখের কিছু নেই।

৪২. ‘তপন প্রথমটা ভাবে ঠাট্টা’— কোন কথাকে ঠাট্টা ভেবেছিল?
উত্তরঃ মেসোমশাইয়ের “গল্পটা ভালো হয়েছে, কারেকশন করে ছাপানো যাবে” এই কথাটাকে প্রথমে নিছক ঠাট্টা মনে করেছিল।

৪৩. ‘দুপুরবেলা, সবাই যখন নিথর নিথর’— তখন তপন কী করেছিল?
উত্তরঃ তখন তপন আস্তে আস্তে একটি খাতা আর কলম নিয়ে তিনতলার সিঁড়িতে উঠে গিয়ে একটি গল্প লিখতে শুরু করেছিল।

৪৪. ‘না না আমি বলছি— তপনের হাত আছে’— কখন বক্তা এ কথা বলেন?
উত্তরঃ বিকেলে চায়ের টেবিলে সবাই তপনের গল্পের কথা শুনে হাসলে, মেসোমশাই সিরিয়াস হয়ে তপনের লেখার প্রশংসা করে এ কথা বলেন।

৪৫. ‘নতুন মেসোকে দেখে জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল তপনের’— কোন জ্ঞানের কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ লেখকেরাও সাধারণ মানুষ, তারা অন্য জগতের প্রাণী নয়— এই জ্ঞানের কথা বলা হয়েছে।

৪৬. ‘তাই জানতো না’— কে, কী জানত না?
উত্তরঃ তপন জানত না যে একজন জীবন্ত লেখককে এত কাছ থেকে দেখা যায়।

৪৭. ‘তপন কৃতার্থ হয়ে বসে বসে দিন গোনে’— কেন?
উত্তরঃ তার গল্পটি কবে পত্রিকায় ছাপা হবে, সেই অপেক্ষায় সে দিন গুনছিল।

৪৮. ‘গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল তপনের’— কেন?
উত্তরঃ নিজেরই লেখা গল্প, যা কারেকশনের পর সম্পূর্ণ অপরিচিত হয়ে গিয়েছিল, তা পড়ে তার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল।

৪৯. ‘বিকেলে চায়ের টেবিলে ওঠে কথাটা’— কোন কথাটা?
উত্তরঃ তপন যে একটা আস্ত গল্প লিখে ফেলেছে, এই কথাটা।

৫০. ‘সারাবাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়’— শোরগোলের কারণ কী?
উত্তরঃ তপনের লেখা গল্প ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছে এই খবরে সারাবাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়।

আরও পড়ুন👇

গল্প

জ্ঞানচক্ষু (গল্প) আশাপূর্ণা দেবী

বহুরূপী (গল্প) সুবোধ ঘোষ

পথের দাবী (গল্প) শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল

কবিতা

অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা

আয় আরো বেধে বেধে থাকি (কবিতা) শঙ্খ ঘোষ

আফ্রিকা (কবিতা) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত

প্রলয়োল্লাস (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম

অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (কবিতা) জয় গোস্বামী

সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল

মাধ্যমিক বাংলা প্রবন্ধ

হারিয়ে যাওয়া কলি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান (প্রবন্ধ) রাজশেখর বসু

মাধ্যমিক বাংলা নাটক

সিরাজদ্দৌলা (নাটক) শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত

মাধ্যমিক বাংলা সহায়ক পাঠ

কোনি (সহায়ক পাঠ) মতি নন্দী

Leave a Reply