Geography

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ SAQ- Class 10 Geography Chapter 1

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

১. পর্যায়ন কী?
উত্তর: অসমতল ভূমি ক্ষয়সীমার সাপেক্ষে সমতলে পরিণত হওয়াকে পর্যায়ন বলে।

২. ক্ষয়সীমা বলতে কী বোঝ?
উত্তর: ক্ষয়কারী শক্তিগুলি ভূপৃষ্ঠের নিচে যতটা পর্যন্ত ক্ষয় করতে পারে, তাকে ক্ষয়সীমা বলে। এই ক্ষয়সীমার শেষ হলো সমুদ্রতল।

৩. জলবিভাজিকা কাকে বলে?
উত্তর: যে উচ্চভূমি দুই বা তার বেশি নদীগোষ্ঠী বা নদী অববাহিকাকে পৃথক করে, সেটাই জলবিভাজিকা।

৪. নদী অববাহিকা ও ধারণ অববাহিকার মূল পার্থক্য কী?
উত্তর: নদী অববাহিকা বলতে বোঝায় একটি নদী তার উপনদী ও শাখানদী মিলিয়ে যতটুকু স্থান অধিকার করে থাকে। আর ধারণ অববাহিকা বলতে বোঝায় নদী অববাহিকার মধ্যে পার্বত্য উচ্চভূমি অংশে নদী যতটুকু অঞ্চল দখল করে আছে।

৫. গিরিখাত কী?
উত্তর: উচ্চগতিতে নদীর উচ্চতা বেশি এবং নদীর মধ্যে পাথরের পরিমাণ খুব বেশি। ফলে নদীর অবঘর্ষ ক্ষয় হতে থাকে কিন্তু পার্শ্বক্ষয় কম। এর ফলে V আকৃতির নদী উপত্যকা সৃষ্টি হয়। একে গিরিখাত বলে।

৬. রেগেলেশন কাকে বলে?
উত্তর: প্রবল চাপে নিচের হিমবাহ ও ভূমির সীমানা বরাবর গলনাঙ্ক কমে গেলে বরফ জলে পরিণত হয়। আবার চাপ হ্রাস পেলে ওই জল বরফে পরিণত হয়। এই পদ্ধতি হলো পুনর্জমাটন বা রেগেলেশন।

৭. পাদদেশীয় হিমবাহ কী?
উত্তর: উচ্চ অক্ষাংশে পর্বতের পাদদেশে উষ্ণতা হিমাঙ্কের নিচে থাকলে, উপত্যকার হিমবাহ নেমে এসে না গলে অবস্থান করে। একে পাদদেশীয় হিমবাহ বলে।

৮. বার্গস্রুন্ড কাকে বলে?
উত্তর: বার্গস্রুন্ড হল হিমবাহের মধ্যে ফাঁক বা ফাটল। উঁচু পর্বত থেকে উপত্যকার মধ্যে হিমবাহ নামার সময়, আগের জমে থাকা বরফের স্তূপ এবং নামতে থাকা হিমবাহের মধ্যে ফাঁক বা গ্যাপের সৃষ্টি হয়। তা হল বার্গস্রুন্ড।

৯. মরূদ্যান কী?
উত্তর: মরুভূমির ভিতর কোনো কোনো স্থানে জলের উৎস থাকলে সেখানে গাছপালা ও কৃষিকাজ গড়ে ওঠে। ওই জায়গাগুলো হল মরূদ্যান।

১০. প্লায়া কাকে বলে?
উত্তর: মরুভূমির পাহাড়ঘেরা অবনমিত অঞ্চলগুলিতে মাঝে মাঝে বর্ষণে স্বল্পদৈর্ঘ্যের নদীবাহিত জল জমে যে হ্রদের সৃষ্টি হয়, তা প্লায়া নামে পরিচিত।

১১. ফিয়র্ড ও ফিয়ার্ডের কী তফাত?
উত্তর:

  • ফিয়র্ড: উঁচু উপকূলের সৃষ্টি হয়; ফিয়ার্ডের তুলনায় বেশি হয়।
  • ফিয়ার্ড: নিচু উপকূলের সৃষ্টি হয়; ফিয়র্ডের তুলনায় কম হয়।

১২. অবঘর্ষ প্রক্রিয়া কী?
উত্তর: নদীবাহিত মুড়ি বোল্ডার ও অন্যান্য পাথরের খণ্ড নদীর গতিপথে গতির সঙ্গে গতিপ্রাপ্ত হয়ে নদীর গভীরতা বাড়ায়। এটি অবঘর্ষ বলে।

১৩. কেম সোপান কাকে বলে?
উত্তর: হিমবাহ অধ্যুষিত অঞ্চলে, পর্বতের পাদদেশে উপত্যকা হিমবাহ গলে পলি, বালি, কাঁকর স্তরীভূত হয়ে যে ভূমিরূপ গঠন করে তা হল কেম। আবার উপত্যকার দুইপাশে পর্বতের পাদদেশে বালি, নুড়ি, বোল্ডার সঞ্চিত হয়ে সিঁড়ির মতো অবস্থান করলে বা ভূমিরূপ গঠন করলে তাকে কেম সোপান বলা হয়।

১৪. দোয়াব কী?
উত্তর: দুটি নদীর মধ্যবর্তী অংশকে দোয়াব বলে। যেমন—গঙ্গা-যমুনা দোয়াব অঞ্চল।

১৫. কেটল হ্রদ কাকে বলে?
উত্তর: নদী বিধৌত সমভূমিতে বড় বড় বরফখণ্ড সঞ্চিত হয়। পরে ওই বরফ গলে সৃষ্টি হয় গর্ত। তাকে কেটল বলে। ঐ কেটল অংশে যখন জল জমে হ্রদ সৃষ্টি হয় তাকে কেটল হ্রদ বলে।

১৬. দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূভাগকে কী বলে?
উত্তর: দোয়াব।

১৭. নদীর জলপ্রবাহ পরিমাপের জন্য কোন একক ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: কিউসেক/কিউমেক।

১৮. FPS পদ্ধতিতে নদীর জলপ্রবাহ পরিমাপের একক কী?
উত্তর: কিউসেক।

১৯. নদীবাহিত শিলাখণ্ডের দ্বারা নদীখাতের ক্ষয়কে কী বলে?
উত্তর: অবঘর্ষ ক্ষয়।

২০. পৃথিবীর গভীরতম গিরিখাতের নাম কী?
উত্তর: নেপালের কালীগন্ডক নদীর গিরিখাত।

২১. যে উচ্চভূমি দুটি নদী ব্যবস্থাকে পৃথক করে তার নাম লেখো।
উত্তর: জলবিভাজিকা।

২২. ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতটি কোন্ নদীর ওপর গড়ে উঠেছে?
উত্তর: আফ্রিকার জাম্বেসি নদীর ওপর।

২৩. জলপ্রপাতের তলদেশে সৃষ্ট গর্তকে কী বলে?
উত্তর: প্লাঞ্জপুল।

২৪. পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাতটির নাম কী?
উত্তর: সাল্টো অ্যাঞ্জেল।

২৫. ধুঁয়াধার জলপ্রপাত কোন নদীর ওপর অবস্থিত?
উত্তর: নর্মদা।

২৬. আর্দ্র অঞ্চলে সৃষ্ট ‘V’-আকৃতির নদী উপত্যকাকে কী বলে?
উত্তর: গিরিখাত।

২৭. উত্তর আমেরিকার মিসিসিপি-মিসৌরি নদীর বদ্বীপ কোন ধরনের বদ্বীপ সমভূমির উদাহরণ?
উত্তর: পাখির পা আকৃতির বদ্বীপ।

২৮. নদী উপত্যকার পুরোনো ও নতুন ঢালের মিলন বিন্দুকে কী বলে?
উত্তর: নিকবিন্দু।

২৯. নদীর পুনর্যৌবনলাভের ফলে গঠিত একটি ভূমিরূপের নাম লেখো।
উত্তর: নিকবিন্দুতে সৃষ্ট জলপ্রপাত।

৩০. ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাতটির নাম কী?
উত্তর: কুঞ্চিকল।

৩১. পৃথিবীর বৃহত্তম উপত্যকা হিমবাহের নাম কী?
উত্তর: আলাস্কার হুবার্ড।

৩২. পাদদেশীয় হিমবাহের অগ্রভাগকে কী বলা হয়?
উত্তর: লোব।

৩৩. মেরু অঞ্চলে কোন উচ্চতায় হিমরেখা দেখা যায়?
উত্তর: সমুদ্রপৃষ্ঠের কাছাকাছি উচ্চতায়।

৩৪. মহাদেশীয় হিমবাহের বরফমুক্ত শৃঙ্গকে কী বলে?
উত্তর: নুনাটাকস।

৩৫. ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহের নাম কী?
উত্তর: সিয়াচেন।

৩৬. হিমবাহ ও পর্বতগাত্রের মধ্যে সৃষ্ট ফাটলকে কী বলে?
উত্তর: বার্গস্রুন্ড।

৩৭. হিমবাহ সৃষ্ট হ্রদকে কী বলে?
উত্তর: প্যাটারনস্টার হ্রদ।

৩৮. পৃথিবীর বৃহত্তম ফিয়র্ডের নাম কী?
উত্তর: নরওয়ের সোজনে।

৩৯. দুটি পরস্পর সংলগ্ন করির মধ্যবর্তী তীক্ষ্ণ প্রাচীরকে কী বলে?
উত্তর: অ্যারেট বা এরিটি।

৪০. ভারতের একটি পিরামিড চূড়ার উদাহরণ দাও।
উত্তর: বদ্রীনাথের নীলকন্ঠ শৃঙ্গ।

৪১. হিমবাহের তলদেশে ক্ষয়জাত পদার্থ সঞ্চিত হলে তাকে কী বলে?
উত্তর: ভূমি গ্রাবরেখা।

৪২. হিমবাহ ও জলধারার মিলিত কার্যের ফলে গড়ে ওঠা একাধিক ‘নব’-এর মধ্যবর্তী নীচু স্থানগুলিকে কী বলা হয়?
উত্তর: কেটল।

৪৩. কেটল হ্রদের নীচে স্তরে স্তরে সঞ্চিত পলিরাশিকে কী বলে?
উত্তর: ভার্ব।

৪৪. কেটল-এ জল জমে কী সৃষ্টি হয়?
উত্তর: কেটল হ্রদ।

৪৫. গ্রাবরেখা দ্বারা সৃষ্ট ত্রিকোণাকার ভূমিরূপকে কী বলা হয়?
উত্তর: কেম।

৪৬. কোন কোন অঞ্চলে বায়ুর কাজ সর্বাধিক প্রভাব বিস্তার করে?
উত্তর: মরু ও উপকূলীয় অঞ্চলে।

৪৭. উপকূলীয় বালিয়াড়ির একটি উদাহরণ লেখো।
উত্তর: কাঁথি বালিয়াড়ি।

৪৮. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অপসারণ গর্তকে কী বলা হয়?
উত্তর: বাফেলো।

৪৯. মরু অঞ্চলে বায়ুর ক্ষয়ের ফলে একটি দিক মসৃণ তলযুক্ত যে শিলাখণ্ড বা ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়, তাকে কী বলে?
উত্তর: ভ্যান্টিফ্যাক্ট।

৫০. পৃথিবীর শুষ্কতম মরুভূমিটির নাম লেখো।
উত্তর: চিলির আটাকামা।

৫১. ‘ইনসেলবার্জ’ কোন অঞ্চলে দেখা যায়?
উত্তর: মরু জলবায়ু অঞ্চলে।

৫২. শিলাময় মরুভূমি কী নামে পরিচিত?
উত্তর: হামাদা।

৫৩. ধান্দ কাকে বলে?
উত্তর: ভারতের রাজস্থানের থর মরুভূমিতে সৃষ্ট অপসারণ গর্তকে ধান্দ বলে।

৫৪. সাহারায় বালুকাময় মরুভূমি কী নামে পরিচিত?
উত্তর: আর্গ।

৫৫. বায়ুপ্রবাহের সমান্তরালে সৃষ্ট বালিয়াড়িগুলির নাম লেখো।
উত্তর: সিফ।

৫৬. পৃথিবীর বৃহত্তম প্লায়াটির নাম কী?
উত্তর: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের লা-প্লায়া।

৫৭. মরুভূমিতে যে শুষ্ক নদী উপত্যকা দেখা যায় তার নাম লেখো।
উত্তর: ওয়াদি।

৫৮. প্লায়াকে মেক্সিকোতে কী বলে?
উত্তর: বোলসন।

৫৯. মরু অঞ্চলের শুষ্ক নদীখাতকে কী বলে?
উত্তর: ওয়াদি।

৬০. সর্পিল আকৃতির আঁকাবাঁকা বালিয়াড়ি কী নামে পরিচিত?
উত্তর: অ্যাকলে বালিয়াড়ি।

৬১. ‘লোয়েস’ শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেন?
উত্তর: ভন রিকটোফেন।

৬২. মরুভূমির মাঝে ‘টেবিল সদৃশ’ ভূমিকে কী বলে?
উত্তর: মেসা।

৬৩. পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাতের নাম কী?
উত্তর: সাল্টো অ্যাঞ্জেল।

৬৪. বিশ্বের বিস্তৃততম জলপ্রপাতের নাম কী?
উত্তর: ইগুয়াজু জলপ্রপাত।

৬৫. ভারতের নায়াগ্রা কাকে বলা হয়?
উত্তর: ইন্দ্রবতী নদীর উপর গড়ে ওঠা চিত্রকোট জলপ্রপাতকে।

৬৬. যোগ জলপ্রপাত কোন নদীতে গড়ে উঠেছে?
উত্তর: সরাবতি নদীতে।

৬৭. জনা ও দশম জলপ্রপাত কোন নদীতে গড়ে উঠেছে?
উত্তর: সুবর্ণরেখা।

৬৮. ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত কোন নদীতে গড়ে উঠেছে?
উত্তর: জাম্বেসি।

৬৯. জলপ্রপাত যখন সিঁড়ির মতো ধাপে ধাপে লাফিয়ে লাফিয়ে নেমে আসে তখন তাকে কী বলে?
উত্তর: কাসকেড।

৭০. ক্যাটারাক্ট কী?
উত্তর: বিপুল জলরাশি ফুলে ফেঁপে ভয়ংকর রূপে অতল গহ্বরে ঝাঁপিয়ে পড়লে তাকে ক্যাটারাক্ট বলে। যেমন—ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত।

৭১. জলপ্রাতের পাদদেশে যে হাঁড়ির মতো গর্তের সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
উত্তর: প্রপাতকূপ।

৭২. নদীর তলদেশে যে ছোট ছোট গোলাকার গর্তের সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
উত্তর: মন্থকূপ।

৭৩. পটহোল কলোনি কাকে বলে?
উত্তর: একসঙ্গে অনেক পটহোল গড়ে উঠলে তাকে পটহোল কলোনি বলে।

৭৪. পলল শঙ্কু দেখতে কেমন আকৃতির হয়?
উত্তর: হাতপাখার মতো।

৭৫. নদীর আঁকাবাঁকা গতিপথকে কী বলা হয়?
উত্তর: মিয়েন্ডার।

৭৬. মিয়েন্ডার নামটি কী থেকে এসেছে?
উত্তর: তুরস্কের আঁকাবাঁকা নদী মিয়েন্ড্রস থেকে।

৭৭. নদীর ঢালুপাড়ের সঞ্চয়কে কী বলে?
উত্তর: পয়েন্ট বার বা বিন্দুবার।

৭৮. নদীর ক্ষয়, বহন ও সঞ্চয় কার্যের মিলিত ভূমিরূপ কোনটি?
উত্তর: অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ।

৭৯. নদীর কোন গতিতে অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ দেখা যায়?
উত্তর: মধ্যগতিতে।

৮০. খাঁড়ি কাকে বলে?
উত্তর: নদীর নিম্ন গতিতে খুব চওড়া ফানেল আকৃতির উন্মুক্ত নদী মোহনাকে খাঁড়ি বলে। সুন্দরবনে খাঁড়ি দেখা যায়।

৮১. বিশ্বের দীর্ঘতম খাঁড়ি কোনটি?
উত্তর: রাশিয়ার ওব নদীর খাঁড়ি বিশ্বে দীর্ঘতম।

৮২. পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি?
উত্তর: গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের ব-দ্বীপ পৃথিবীতে বৃহত্তম।

৮৩. ধনুক আকৃতির বদ্বীপ কোন নদীতে দেখা যায়?
উত্তর: গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র, নীল, পো, রোন, হোয়াংহো নদীর বদ্বীপ।

৮৪. পাখির পায়ের মতো বদ্বীপ কোন নদীতে দেখা যায়?
উত্তর: মিসিসিপি-মিসৌরি, সিন্ধু, কৃষ্ণা নদীর বদ্বীপ।

৮৫. বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: সুন্দরবনে।

৮৬. নদীর জলের উষ্ণতা কত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে?
উত্তর: প্রতি দশকে ০.৫° সে. হারে বাড়ছে।

৮৭. সুন্দরবনকে কবে সংরক্ষিত বনভূমি, কবে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট এবং কবে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ করা হয়?
উত্তর: ১৯২৭ সালে ‘সংরক্ষিত বনভূমি’; ১৯৮৭ সালে (ইউনেস্কো) ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ এবং ১৯৮৯ সালে (ভারত সরকার) ‘বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ’।

৮৮. ভ্যানিশিং আইল্যান্ড কাকে বলে?
উত্তর: ভূ-ঊষ্ণায়ন ও সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সুন্দরবনের ৩টি দ্বীপ (লোহাচড়া, নিউমুর ও বেডফোর্ড) সম্পূর্ণ ডুবে গেছে এবং ১০টি উপ নিশ্চিত হওয়ার মুখে। এদের ‘ভ্যানিশিং আইল্যান্ড’ বলে।

৮৯. নিউমুর দ্বীপটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: হাড়িয়াভাঙা নদীর আন্তর্জাতিক সীমানায়।

৯০. ঘোড়ামারা দ্বীপটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: হুগলি নদীর মোহানায়।

৯১. নিউমুর দ্বীপটি কবে কিসের জন্য জেগে উঠেছিল?
উত্তর: ১৯৭০ সালে ‘ভোলা’ ঘূর্ণিঝড়ে দ্বীপটি জেগে ওঠে।

৯২. হিমবাহ কথার অর্থ কী?
উত্তর: বরফের নদী।

৯৩. বিশ্বের দ্রুততম হিমবাহ কোনটি?
উত্তর: গ্রীনল্যান্ডের চেকআপ জেকবস ভ্যান।

৯৪. ভারতের বৃহত্তম হিমবাহের নাম কী?
উত্তর: সিয়াচেন।

৯৫. তীক্ষ্ণাগ্র বদ্বীপ কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: ইতালির টাইবার, স্পেনের রিও এব্রো, ভারতের সুবর্ণরেখা নদীর বদ্বীপ।

৯৬. বায়ুর গতিপথে আড়াআড়ি ভাবে গড়ে ওঠা বালিয়াড়িকে কী বলে?
উত্তর: তির্যক বালিয়াড়ি।

৯৭. গ্রেট গ্রীন ওয়াল (GGW) কী?
উত্তর: সাহারার দক্ষিণ প্রান্তে ৭৭৭৫ কিমি দীর্ঘ ও ১৫ কিমি চওড়া গাছের তৈরি প্রাচীরকে গ্রেট গ্রিন ওয়াল (GGW) বলে।

৯৮. নেভে কী?
উত্তর: সুউচ্চ পার্বত্য ও মেরু অঞ্চলে তুষার পাতের তুষারকণাগুলি একটি অন্যটির সঙ্গে পেঁজা তুলোর মতো আলগাভাবে লেগে থাকে। এই সাদারঙের আলগা তুষারকণাগুলিকে নেভে (Neve) বলে।

৯৯. ফির্ন কী?
উত্তর: তুষারকণাগুলি পরস্পরের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে আটকে বৃহৎ কেলাসে পরিণত হয়। একে ফির্ন (Firn) বলে।

১০০. ভূপৃষ্ঠের সাধু জলের বৃহত্তম ভান্ডার কোনটি?
উত্তর: হিমবাহ।

১০১. হিমবাহের শ্রেণীবিভাগ কে করেন?
উত্তর: বিজ্ঞানী এইচ.ডাব্লু.আলমান।

১০২. পৃথিবীর বৃহত্তম পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহের নাম কী?
উত্তর: আলাস্কার হুবার্ড।

১০৩. পাদদেশীয় হিমবাহের অগ্রভাগকে কী বলে?
উত্তর: লোব।

১০৪. বিশ্বের বৃহত্তম পাদদেশীয় হিমবাহের নাম কী?
উত্তর: আলাস্কার মালাসপিনা।

১০৫. বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশীয় হিমবাহের নাম কী?
উত্তর: ল্যাম্বার্ট।

১০৬. বরফমুক্ত সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গকে কী বলে?
উত্তর: নুনাটক।

১০৭. হিমরেখা কী?
উত্তর: পার্বত্য বা মেরু অঞ্চলে যে সীমারেখার ওপর সারা বছর তুষার জমে থাকে এবং যার নীচে তুষার গলে যায়, তাকে হিমরেখা (Snow line) বলে। এর উচ্চতা নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকে হ্রাস পায়।

১০৮. বিশ্বের বৃহত্তম মগ্নচড়ার নাম কী?
উত্তর: গ্র্যান্ড ব্যাংক।

১০৯. হিমশৈল কী?
উত্তর: মেরুঅঞ্চলে সমুদ্রজলে ভাসমান ও গতিশীল বিশালাকার বরফের স্তূপকে হিমশৈল বলে। এর ১/৯ অংশ জলের ওপর থাকে।

১১০. ক্রেভাস কী?
উত্তর: হিমবাহের উপরিভাগে বরফের মধ্যে গতিপথের সমান্তরাল ও আড়াআড়িভাবে যে ফাটল সৃষ্টি হয়, তাকে ক্রেভাস বলে।

১১১. বার্গস্রুন্ড কী?
উত্তর: হিমবাহ উপত্যকার পর্বতগাত্রে আগে থেকে জমে থাকা বরফস্তূপ ও নামতে থাকা পার্বত্য হিমবাহের মধ্যে যে সংকীর্ণ ও গভীর ফাটল সৃষ্টি হয়, তাকে জার্মান ভাষায় বার্গস্রুন্ড বলে।

১১২. করি বা সার্ক কোথায় কী নামে পরিচিত?
উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে করি, ফ্রান্সে সার্ক, নরওয়েতে বন, ওয়েলসে কাম, জার্মানিতে কার, স্পেনে হয়ো, স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় ক্যেদল ও বোৎন নামে পরিচিত।

১১৩. প্রথম ‘সার্ক’ কথাটি কে ব্যবহার করেন?
উত্তর: বিজ্ঞানী শার পেঁতিয়ার (১৮২৩) প্রথম ‘সার্ক’ কথাটি ব্যবহার করেন।

১১৪. পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম সার্কের নাম কী?
উত্তর: আন্টার্কটিকার ওয়ালকট সার্ক বিশ্বে বৃহত্তম ও গভীরতম।

১১৫. করির মধ্যভাগে বরফগলা জল জমে যে হ্রদ সৃষ্টি হয়, তাকে কী বলে?
উত্তর: করি হ্রদ বা টার্ন বলে।

১১৬. দুটি সার্কের মধ্যবর্তী উঁচু, খাড়া ও করাতের দাঁতের মতো খাঁজ কাটা তীক্ষ্ণ প্রাচীরকে কী বলে?
উত্তর: হিমশিরা বা অ্যারেট।

১১৭. পিরামিড চূড়ার উদাহরণ দাও।
উত্তর: সুইজারল্যান্ডে ম্যাটার হর্ন, ভারতের নীলকণ্ঠ, শিবলিঙ্গ, নেপাল হিমালয়ে মাকালু।

১১৮. হিমবাহ উপত্যকা বা হিমদ্রোণীর আকৃতি কেমন?
উত্তর: ইংরেজি অক্ষর ‘U’ আকৃতি বিশিষ্ট।

১১৯. হিমসিঁড়িতে জল জমে যে হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে তাকে কী বলে?
উত্তর: প্যাটার্নস্টার হ্রদ।

১২০. রসে মোতানের কোন দিক মসৃণ এবং কোন দিক অমসৃণ?
উত্তর: প্রতিবাত ঢাল মসৃণ এবং অনুবাত ঢাল অমসৃণ।

১২১. রসে মোতানে কথাটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?
উত্তর: ভূবিজ্ঞানী সসার (১৮০৪) প্রথম শব্দটি ব্যবহার করেন।

১২২. পৃথিবীর দীর্ঘতম ফিয়োর্ড কোনটি?
উত্তর: গ্রিনল্যান্ডের স্কোরশবি সুন্দ ফিয়োর্ড দীর্ঘতম (৩৫০ কিমি)।

১২৩. ফিয়োর্ডের দেশ কাকে বলে?
উত্তর: নরওয়েকে ‘ফিয়োর্ডের দেশ’ বলে।

১২৪. ফিয়ার্ড কাকে বলে?
উত্তর: ক্ষুদ্রাকার ও অগভীর ফিয়োর্ডকে ফিয়ার্ড বলে।

১২৫. ফিয়ার্ডের দেশ কাকে বলে?
উত্তর: সুইডেনকে ‘ফিয়ার্ডের দেশ’ বলে।

১২৬. পৃথিবীর গভীরতম ফিয়োর্ড কোনটি?
উত্তর: অ্যান্টার্কটিকার স্কেলটন ইনলেট ফিয়োর্ড গভীরতম (১৯৩৩ মিঃ)।

১২৭. বহিঃবিধৌত সমভূমি নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন হলে তাকে কী বলে?
উত্তর: ভ্যালি ট্রেন।

১২৮. বহিঃবিধৌত সমভূমিকে আইসল্যান্ডে কী নামে পরিচিত?
উত্তর: স্যান্দুর।

১২৯. হিমাবহ সঞ্চয় কার্যের ফলে উল্টানো নৌকা বা ডিমভর্তি ঝুড়ির মতো ভূমিরূপকে কী বলে?
উত্তর: ড্রামলিন।

১৩০. কেটল হ্রদের তলদেশে সঞ্চিত হিমপলিকে কী বলে?
উত্তর: ভার্ব।

১৩১. বহিঃবিধৌত সমভূমিতে বরফের চাই গলে গিয়ে যে গর্তের সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
উত্তর: কেটল।

১৩২. কেটলগুলির মাঝের স্থানকে কী বলা হয়?
উত্তর: নব।

১৩৩. বায়ুর কাজ কোথায় প্রাধান্য বিস্তার করে?
উত্তর: মরুভূমি অঞ্চল।

১৩৪. পৃথিবীর বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমির নাম কী?
উত্তর: সাহারা মরুভূমি।

১৩৫. একটি শুষ্ক মরুভূমির নাম কী?
উত্তর: আটাকামা।

১৩৬. ভারতের শীতল মরুভূমির নাম কী?
উত্তর: লাদাখ।

১৩৭. পৃথিবীর বৃহত্তম শীতল মরুভূমির নাম কী?
উত্তর: গোবি মরুভূমি।

১৩৮. সাহারা কথার অর্থ কী?
উত্তর: বিজন প্রদেশ।

১৩৯. বালিময় মরুভূমি সাহারা ও তুর্কিস্তানে কী নামে পরিচিত?
উত্তর: সাহারায় আর্গ এবং তুর্কিস্তানে কুম।

১৪০. শিলাময় মরুভূমি সাহারায় কী নামে পরিচিত?
উত্তর: হামাদা।

১৪১. পাথুরে মরুভূমি কোথায় কী নামে পরিচিত?
উত্তর: আলজিরিয়ায় রেগ, লিবিয়া ও মিশরে সেবির, অস্ট্রেলিয়ায় গিবারস।

১৪২. আন্টার্কটিকার তুষার মরুভূমি কী নামে পরিচিত?
উত্তর: শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মরুভূমি।

১৪৩. বিশ্বের বৃহত্তম অপসারণ গর্তের নাম কী?
উত্তর: মিশরের কাতারা।

১৪৪. গৌর কোথায় কী নামে পরিচিত?
উত্তর: সাহারা মরুভূমিতে গৌর বা গারা, জার্মানিতে পিজফেলসেন, গ্রেট বেসিনে হুডু বলে। একে মাশরুম রক বলা হয়।

১৪৫. বায়ুর কার্যের ফলে মোরগের ঝুঁটি বা দীর্ঘ অপ্রতিসম শৈলশিরার মতো ভূমিরূপকে কী বলে?
উত্তর: ইয়ারদাঙ (আর্থার হোমস ‘কক্কোম’ নাম দেন)।

১৪৬. ইয়ারদাঙের শীর্ষদেশ ক্ষয় পেয়ে তীক্ষ্ণ আকার ধারণ করলে তাকে কী বলে?
উত্তর: নিডিল।

১৪৭. জার্মান শব্দ ‘ইনসেলবার্জ’ (‘Inselberg’)-এর অর্থ কী?
উত্তর: ‘দ্বীপশৈল’।

১৪৮. মরু অঞ্চলে অনুচ্চ টিলাকে কী বলে?
উত্তর: ইনসেলবার্জ।

১৪৯. ইনসেলবার্জ ক্ষয়প্রাপ্ত হলে তাকে কী বলে?
উত্তর: ‘টর’ বলে। ইনসেলবার্জ আরো ক্ষয় পেয়ে গম্বুজাকার ঢিবিতে পরিণত হলে তাকে ‘বর্নহার্ড’ বলে। ইনসেলবার্জ গভীরভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে বোল্ডারস্তূপে পরিণত হলে তাকে ‘ক্যাসেল কপিজ’ বলে।

১৫০. কেরলের মালাবার উপকূলের বালিয়াড়িকে স্থানীয় ভাষায় কী বলে?
উত্তর: টেরিস বলে।

১৫১. রাজস্থানের চলমান বালিয়াড়িকে কী বলা হয়?
উত্তর: ধ্রীয়ান (Dhrian)।

১৫২. বার্খান বালিয়াড়ির আকৃতি কেমন?
উত্তর: অর্ধচন্দ্রাকার।

১৫৩. বার্খান শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: বালির পাহাড়।

১৫৪. একাধিক বার্খান মিলিত হলে তাকে কী বলে?
উত্তর: অ্যাকলে।

১৫৫. বায়ু প্রবাহের সমান্তরালভাবে গড়ে ওঠা দীর্ঘ শৈলশিরা মত বালিয়াড়িকে কী বলে?
উত্তর: অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি বা সিফ বালিয়াড়ি।

১৫৬. বার্খান বালিয়াড়ি ভেঙে কোন বালিয়াড়ির সৃষ্টি হয়?
উত্তর: সিফ বালিয়াড়ি।

১৫৭. দুটি বালিয়াড়ির মধ্যবর্তী শিলাময় বালিহীন এলাকাকে কী বলে?
উত্তর: করিডর বলে; যা সাহারাতে গাসি ও গউড নামে পরিচিত।

১৫৮. লোয়েস কথার অর্থ কী? এই কথাটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?
উত্তর: ‘স্থানচ্যুত বস্তু’; কার্ল লিওনহার্ড।

১৫৯. বিশ্বের বৃহত্তম লোয়েস সমভূমি কোনটি?
উত্তর: চিনের হোয়াংহো অববাহিকার হোয়াংটু।

১৬০. মরুভূমির শুষ্ক নদীখাতকে কী বলে?
উত্তর: ওয়াদি।

১৬১. পেডিমেন্ট কথার অর্থ কী? এই কথাটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?
উত্তর: ‘পর্বতের পাদদেশ’; জি কে গিলবার্ট (১৮৮২) প্রথম ব্যবহার করেন।

১৬২. মরুভূমির লবণাক্ত হ্রদকে কী বলে?
উত্তর: প্লায়া।

১৬৩. প্লায়া কোথায় কী নামে পরিচিত?
উত্তর: উত্তর আফ্রিকায় ‘শাল’, ভারতের রাজস্থানে ‘রান’, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ায় ‘প্যান’ নামে পরিচিত।

১৬৪. বিশ্বের বৃহত্তম প্লায়া কোনটি?
উত্তর: লা প্লায়া।

১৬৫. ভারতের একটি প্লায়া হ্রদের নাম লেখো।
উত্তর: সম্বর।

১৬৬. অতিরিক্ত লবণাক্ত প্লায়াকে কী বলে?
উত্তর: স্যালিনা।

১৬৭. বাজাদা কথার অর্থ কী?
উত্তর: ঢাল।

১৬৮. পৃথিবীর কত শতাংশ জমি মরুকরণ দ্বারা আক্রান্ত?
উত্তর: ৩৫%।

১৬৯. মরুকরণের প্রধান কারণ কী?
উত্তর: বৃক্ষছেদন।

১৭০. CAZRI-এর পুরো নাম কী? এর সদর দপ্তর কোথায়?
উত্তর: Central Arid Zone Research Institute এবং এর সদর দপ্তর—[অসম্পূর্ণ]।

১৭১. যে উচ্চভূমি দুটি নদী ব্যবস্থাকে পৃথক করে তার নাম লেখো।
উত্তর: জলবিভাজিকা।

১৭২. পৃথিবীর বৃহত্তম উপত্যকা হিমবাহের নাম কী?
উত্তর: ল্যাম্বার্ট হিমবাহ।

১৭৩. নদীবাঁকের কোন্ দিকে ক্ষয় বেশি ঘটে?
উত্তর: অবতল দিকে।

১৭৪. বায়ুপ্রবাহের সমান্তরালে সৃষ্ট বালিয়াড়িগুলির নাম লেখো।
উত্তর: সিফ বালিয়াড়ি।

১৭৫. নদীর কোন্ প্রবাহে ক্ষয়কার্য সবচেয়ে বেশি হয়?
উত্তর: উচ্চ প্রবাহে (পার্বত্য প্রবাহে)।

১৭৬. পার্বত্য অঞ্চলে নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট গভীর ও সংকীর্ণ উপত্যকার নাম কী?
উত্তর: গিরিখাত।

১৭৭. মিসিসিপি-মিসৌরি নদীর মোহানায় গঠিত বদ্বীপের আকৃতি কীরূপ?
উত্তর: পাখির পায়ের মতো।

১৭৮. হিমবাহের গতিপথে সৃষ্ট গভীর ফাটলের নাম কী?
উত্তর: ক্রেভাস।

১৭৯. দুটি সার্কের মাঝে গঠিত ধারালো শৈলশিরার নাম কী?
উত্তর: অ্যারেট।

১৮০. তিনটি বা ততোধিক সার্ক মিলিত হয়ে গঠিত পিরামিড আকৃতির শৃঙ্গের নাম কী?
উত্তর: হর্ন।

১৮১. হিমবাহবাহিত নুড়ি-পাথরের সঞ্চয়জাত ভূমিরূপের সাধারণ নাম কী?
উত্তর: মোরেন।

১৮২. হিমবাহ সঞ্চয়জাত ডিম উপুড় করা আকৃতির ভূমিরূপের নাম কী?
উত্তর: ড্রামলিন।

১৮৩. মরু অঞ্চলে বায়ুর অপসারণ ক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট গর্তকে কী বলে?
উত্তর: ডেফলেশন হলো।

১৮৪. মরু অঞ্চলে বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত ছাতার মতো শিলার নাম কী?
উত্তর: গৌর (মাশরুম রক)।

১৮৫. বায়ুবাহিত সূক্ষ্ম পলি সঞ্চিত হয়ে গঠিত ভূমিরূপের নাম কী?
উত্তর: লোয়েস।

১৮৬. আড়াআড়ি (তির্যক) বালিয়াড়ির অপর নাম কী?
উত্তর: বারখান।

১৮৭. সমুদ্র তরঙ্গের ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত খাড়া পাড়ের নাম কী?
উত্তর: সমুদ্র ভৃগু (cliff)।

১৮৮. সমুদ্র ভৃগুর ভাঙা অংশ থেকে গঠিত স্তম্ভাকার ভূমিরূপের নাম কী?
উত্তর: স্ট্যাক।

১৮৯. উপকূল থেকে সমুদ্রের দিকে প্রসারিত সরু বালির স্তূপের নাম কী?
উত্তর: স্পিট।

১৯০. চুনাপাথর অঞ্চলে ভৌমজলের দ্রবণ ক্রিয়ায় সৃষ্ট ভূমিরূপকে কী বলে?
উত্তর: কার্স্ট ভূমিরূপ।

১৯১. গুহার ছাদ থেকে ঝুলন্ত চুনাপাথরের স্তম্ভের নাম কী?
উত্তর: স্ট্যালাকটাইট।

১৯২. গুহার মেঝে থেকে ওপরের দিকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত চুনাপাথরের স্তম্ভের নাম কী?
উত্তর: স্ট্যালাগমাইট।

১৯৩. কার্স্ট অঞ্চলে ভূপৃষ্ঠে গোলাকার অবনমিত স্থানের নাম কী?
উত্তর: ডোলাইন (সিঙ্কহোল)।

১৯৪. নদীর নিম্নগতিতে সৃষ্ট সাপের মতো বাঁকযুক্ত পথের নাম কী?
উত্তর: নদীবাঁক (মিয়েন্ডার)।

১৯৫. নদীবাঁকের সংকীর্ণ অংশ ছিন্ন হয়ে সৃষ্ট হ্রদের নাম কী?
উত্তর: অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ।

Leave a Reply